National University Registration Card Correction Application Process
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রেশন কার্ড এর নাম সংশোধনের সম্পূর্ণ নিয়মাবলি
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রেশন কার্ডে নাম, পিতা-মাতার নাম, জন্মতারিখ বা অন্য কোনো তথ্য ভুল থাকলে অনেক শিক্ষার্থী বুঝতে পারেন না আসলে কোথা থেকে সংশোধনের কাজটি শুরু করবেন। আবার কারও ক্ষেত্রে আক্ষরিক বানান সংশোধন, সংযোজন-বিয়োজন বা পূর্ণ নাম সংশোধনের কারণে প্রক্রিয়াটি কিছুটা আলাদা হতে পারে। এই গাইডে NU Registration Card Correction-এর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, প্রাথমিক প্রস্তুতি, অনলাইন ও অফলাইন আবেদন, ফি জমা, Send Back, Board Meeting, সংশোধনের সময় এবং সংশোধিত রেজিস্ট্রেশন কার্ড সংগ্রহের বিষয়গুলো সহজ ভাষায় ধাপে ধাপে বোঝানো হয়েছে।
রেজিস্ট্রেশন কার্ড সংশোধন করা কেন প্রয়োজন
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রেশন কার্ড একজন শিক্ষার্থীর গুরুত্বপূর্ণ একাডেমিক রেকর্ডের অংশ। একই তথ্য পরবর্তী একাডেমিক কার্যক্রমেও ব্যবহৃত হয়ে থাকে, তাই রেজিস্ট্রেশন কার্ডে ভুল থাকলে সেটিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখা স্বাভাবিক।
- রেজিস্ট্রেশন কার্ডে নাম, পিতা-মাতার নাম ভুল থাকলে পরবর্তী সময়ে তৈরি হওয়া একাডেমিক নথির সঙ্গে তথ্যের অমিল তৈরি হয়, বিশেষ করে প্রবেশপত্র, সার্টিফিকেট বা মার্কশিট অনলাইনেও একই ভুল থেকে যায়।
- চাকরি, উচ্চশিক্ষা, বিদেশে পড়াশোনা বা কোনো প্রতিষ্ঠানে ডকুমেন্ট ভেরিফিকেশনের সময় বিভিন্ন নথির নাম ও জন্মতারিখ মিলিয়ে দেখা হলে রেজিস্ট্রেশন কার্ডের পুরোনো ভুলটিও প্রশ্নের কারণ হতে পারে।
- ভুলটি অনেকদিন রেখে দিলে পরে শুধু রেজিস্ট্রেশন কার্ড নয়, প্রয়োজন অনুযায়ী Admit Card, Certificate বা Marksheet-সংক্রান্ত সংশোধনের বিষয়ও সামনে আসতে পারে, ফলে একাধিক ধাপে কাজ করতে হতে পারে।
- বিশেষ করে নাম, বা পিতা-মাতার নামের মতো মৌলিক তথ্য সঠিক রাখলে ভবিষ্যতে NU Certificate Correction বা অন্যান্য একাডেমিক ডকুমেন্ট সংশোধনের প্রয়োজন তুলনামূলকভাবে সহজভাবে সামলানো যেতে পারে।
এ কারণে রেজিস্ট্রেশন কার্ডে কোনো ভুল চোখে পড়লে সেটিকে পরে করার বিষয় হিসেবে রেখে না দিয়ে আগে থেকেই বিষয়টি বোঝা ভালো। আপনার ক্ষেত্রে ভুলটি কী ধরনের এবং কোন নথিতে সঠিক তথ্য রয়েছে—এ দুটো বিষয় বুঝে নিলে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়াও সহজ হয়।
NU থেকে রেজিস্ট্রেশন কার্ড সংশোধনের নিয়ম কী
অনেক শিক্ষার্থী রেজিস্ট্রেশন কার্ড সংশোধনের নিয়মাবলি জানতে চান। তাদের জন্যই আজকের এই বিস্তারিত গাইড। সাধারণত রেজিস্ট্রেশন কার্ড সংশোধন করতে হলে আপনাকে প্রয়োজনীয় কিছু ধাপ অনুসরণ করতে হবে:
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রেশন কার্ড সংশোধনের জন্য আপনাকে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট সংগ্রহ করতে হবে।
- NU থেকে রেজিস্ট্রেশন কার্ড সংশোধনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট হলো আপনার মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট, সেগুলো অবশ্যই সঠিক থাকতে হবে।
- তারপর প্রয়োজনীয় সমস্ত কাগজপত্র জোগাড় করে আপনাকে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে।
- আবেদন করার পর আপনার আবেদন কর্তৃপক্ষ আপনার সংশোধনের ধরন অনুযায়ী সেটাকে সাধারণ বা আক্ষরিক এবং পূর্ণ নাম সংশোধন হিসেবে বিবেচনা করবেন।
উদাহরণ হিসেবে, একটি ছোট বানান ভুল সংশোধন এবং একটি সম্পূর্ণ ভিন্ন নাম গ্রহণের বিষয় এক নয়। আপনার আবেদনটি কোন শ্রেণির মধ্যে পড়ে তা নিয়ে দ্বিধা থাকলে প্রাসঙ্গিক তথ্য দেখে নেওয়া যেতে পারে। আপনার নির্দিষ্ট পরিবর্তনটি কোন ধরনের সংশোধন হতে পারে, সেটিও আগে বুঝে নেওয়া সম্ভব, প্রয়োজনে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।
সংশোধনে সংযোজন ও বিয়োজন কী, আক্ষরিক ও পূর্ণ নাম সংশোধন কী
অনেক শিক্ষার্থী “নাম সংশোধন” বলতে সব ধরনের নাম পরিবর্তনকেই একই বিষয় মনে করেন। বাস্তবে নামের একটি অক্ষরের বানান পরিবর্তন, নামের সঙ্গে নতুন শব্দ যোগ করা, কোনো শব্দ বাদ দেওয়া এবং সম্পূর্ণ নাম পরিবর্তন—এসব পরিবর্তনের মাত্রা এক নয়।
- আক্ষরিক সংশোধন বলতে সাধারণভাবে নামের অক্ষর বা বানানের ছোটখাটো ভুল ঠিক করার বিষয়টি বোঝানো হয়, যেখানে নামের মূল কাঠামো অপরিবর্তিত থাকে এবং কেবল ভুলটি সংশোধন করা হয়।
- সংযোজন বলতে বিদ্যমান নামের সঙ্গে নতুন কোনো শব্দ বা নামের অংশ যোগ হওয়ার বিষয়টি বোঝাতে পারে, ফলে আগের নামের তুলনায় নতুন নামটি কিছুটা বড় হয়ে যায়।
- বিয়োজন বলতে নামের আগে, পরে অথবা মাঝখান থেকে কোনো শব্দ বা অংশ বাদ দেওয়ার বিষয়টি বোঝাতে পারে, যা সাধারণ বানান সংশোধনের তুলনায় বড় পরিবর্তন হতে পারে।
- পূর্ণ নাম সংশোধন বলতে শুধু একটি অক্ষর ঠিক করার পরিবর্তে নামের বড় অংশ বা সম্পূর্ণ নাম পরিবর্তনের বিষয়টি বোঝানো হয়, যেখানে অতিরিক্ত যাচাই বা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত প্রয়োজন হতে পারে।
উদাহরণ হিসেবে, একটি ছোট বানান ভুল সংশোধন এবং একটি সম্পূর্ণ ভিন্ন নাম গ্রহণের বিষয় এক নয়। যদি আক্ষরিক নাম সংশোধন হয় তাহলে সাধারণত সহজেই সংশোধন হয়ে যায়, কিন্তু যদি পূর্ণ নাম সংশোধন করতে হয় সেক্ষেত্রে বিষয়টা কঠিন হয়ে পড়ে।
NU Certificate Correction Board Meeting কেন হয় এবং কখন হয়
নামের বড় ধরনের পরিবর্তনের ক্ষেত্রে শুধু আবেদনপত্র দেখে সরাসরি সিদ্ধান্ত নেওয়া সবসময় যথেষ্ট নাও হতে পারে। পরিবর্তনের কারণ, আগের রেকর্ড, সংশোধিত শিক্ষাগত সনদ এবং অন্যান্য প্রমাণপত্র দেখে বিষয়টি আরও যাচাই করার প্রয়োজন হতে পারে।
- নামের বড় পরিবর্তন, সংযোজন, বিয়োজন বা পূর্ণ নাম সংশোধনের ক্ষেত্রে আবেদনের যৌক্তিকতা এবং প্রমাণপত্র দেখে বিষয়টি কর্তৃপক্ষের বিবেচনার জন্য পাঠানো হয়ে থাকে।
- শিক্ষার্থীর SSC, HSC, জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্মনিবন্ধন এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেকর্ডে তথ্যের সামঞ্জস্য আছে কি না—এ ধরনের বিষয় সিদ্ধান্তের সময় গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
- Board Meeting-এর প্রয়োজন হলে সাধারণ আক্ষরিক সংশোধনের তুলনায় সময় কিছুটা বেশি লাগতে পারে, কারণ আবেদনটি একটি অতিরিক্ত প্রশাসনিক যাচাইয়ের মধ্য দিয়ে যেতে পারে।
- কোন আবেদনের Board Meeting ঠিক কোন তারিখে হবে বা সিদ্ধান্ত কবে আসবে—এটি সবার জন্য একইভাবে আগে থেকে বলা যায় না; আবেদন ও সভার সময়সূচির ওপর বিষয়টি নির্ভর করতে পারে।
আপনার নামের পরিবর্তনটি আক্ষরিক নাকি পূর্ণ নাম সংশোধনের মধ্যে পড়ে—বা ইতিমধ্যে আবেদন করেছেন কিন্তু আবেদন দীর্ঘদিন আটকে আছে কেন জানতে ও আমাদের সহায়তা পেতে যোগাযোগ করুন।
NU থেকে রেজিস্ট্রেশন কার্ড সংশোধন করতে কী কী লাগে
NU Registration Card Correction করতে কী কী লাগে—এই প্রশ্নটি সবচেয়ে বেশি করা হয়। বাস্তবে সবার জন্য একেবারে একই ডকুমেন্টের তালিকা হবে এমন নয়; সংশোধনের ধরন অনুযায়ী অতিরিক্ত কাগজপত্রের প্রয়োজন হতে পারে।
- প্রথমে আপনার কলেজের বর্তমান অধ্যক্ষের সুপারিশসহ একটি আবেদনপত্র, যেখানে আপনার ভুল ও সঠিক নামের বিবরণ দেওয়া থাকবে। আবেদন নমুনা ডাউনলোড করুন
- তারপর আপনার ভুল রেজিস্ট্রেশন কার্ডের কপি এবং SSC ও HSC-এর সনদ, সঠিক জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মনিবন্ধন, পিতা-মাতার নামে ভুল থাকলে তাদের NID কপি বাধ্যতামূলক।
- SSC বা HSC-তে আগে সংশোধন হয়ে থাকলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের কারেকশন লেটার বা সংশোধনের প্রমাণপত্রও প্রয়োজন হতে পারে, যাতে বিশ্ববিদ্যালয় সঠিক তথ্যের উৎসটি বুঝতে পারে।
- নিজ নাম বা পিতা-মাতার নামে যদি বড় ধরনের কোনো ভুল থেকে থাকে সেক্ষেত্রে হলফনামা (Affidavit) লাগবে। প্রয়োজনে পাসপোর্ট বা অন্যান্য প্রমাণাদি দেখাতে পারেন।
মনে রাখবেন রেজিস্ট্রেশন কার্ড সংশোধন হয়ে গেলে সংশোধিত কপি উত্তোলন করতে আপনার ভুল নামযুক্ত রেজিস্ট্রেশন কার্ডের মূল কপি জমা দিতে হবে, যদি হারিয়ে যায় তাহলে আগে তুলতে হবে, হারানো ডকুমেন্ট উত্তোলনের নিয়ম। আমাদের সহায়তা পেতে যোগাযোগ করুন।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নাম সংশোধনের আবেদনের নিয়ম
রেজিস্ট্রেশন কার্ড সংশোধনের আবেদন শুরু করার আগে কিছু প্রস্তুতি থাকলে পুরো কাজটি সহজে বোঝা যায়। অনেক সময় আবেদন করায় সমস্যা ফরম পূরণে নয়, বরং ভুল তথ্যের প্রমাণ এবং আবেদনকারীর বিভিন্ন নথির মধ্যে অমিলের কারণে তৈরি হয়।
- প্রথমে প্রয়োজনীয় সকল ডকুমেন্ট সংগ্রহ করে আপনার কোর্স ও পাসের সাল বা সেশন অনুযায়ী অনলাইনে অথবা সরাসরি গাজীপুর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে আবেদন করতে হবে।
- সঠিকভাবে আবেদন করার পর অনলাইনে বা নির্ধারিত চালানের মাধ্যমে নির্ধারিত ফি জমা দিতে হবে।
- আবেদন ও সঠিকভাবে টাকা জমা দেওয়ার পর কর্তৃপক্ষ যাচাইপূর্বক সংশোধন প্রক্রিয়া শুরু করবেন।
আপনার আবেদন সরাসরি অনলাইনে হবে নাকি অফলাইনে আবেদন করতে হবে, অথবা কীভাবে আবেদন করতে হয় বিস্তারিত জানতে নিচের ধাপগুলো পড়ুন।
সংশোধনের জন্য কারা অনলাইনে ও কারা অফলাইনে আবেদন করবেন?
অনলাইনে বা অফলাইনে যেখানেই আবেদন করুন না কেন, প্রয়োজনীয় সব ডকুমেন্ট বাধ্যতামূলকভাবে জমা দিতে হবে। আপনার পাসের সালের ওপর ভিত্তি করে আবেদনের মাধ্যম নির্ধারিত হবে:
- অনলাইন আবেদন (Online Application): ডিগ্রি (১৯৯৮ সাল থেকে পরবর্তী), অনার্স (১৯৯৯ সাল থেকে পরবর্তী), মাস্টার্স (২০০০ সাল থেকে পরবর্তী) এবং বিএড (২০০৫ সাল থেকে পরবর্তী) ব্যাচের শিক্ষার্থীরা অনলাইনে আবেদন করবেন।
- অফলাইন আবেদন (Offline Application): ডিগ্রি (১৯৯৭ সাল বা তার আগে), অনার্স (১৯৯৮ সাল বা তার আগে), মাস্টার্স (১৯৯৯ সাল বা তার আগে) এবং বিএড (২০০৪ সাল বা তার আগে) ব্যাচের শিক্ষার্থীরা সরাসরি গাজীপুর গিয়ে ম্যানুয়ালি সংশোধনের আবেদন করবেন।
মনে রাখবেন আপনার রেজিস্ট্রেশন কার্ড যদি হাতে লেখা হয়ে থাকে তাহলে অবশ্যই আপনাকে সরাসরি গাজীপুর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে আবেদন করতে হবে। আবেদন অনলাইনে বা অফলাইনে কীভাবে করতে হয়, কীভাবে টাকা জমা দিতে হয় বিস্তারিত জানতে নিচের অংশগুলো পড়ুন, আমাদের সহায়তা পেতে যোগাযোগ করুন।
NU Registration Card Correction Online Application করার নিয়ম
National University Online Correction Service ব্যবহার করে ঘরে বসেই NU Certificate Correction Online Application সম্পন্ন করা যায়। অনলাইনে আবেদন করার জন্য নিচের নিয়মগুলো অনুসরণ করবেন:
- প্রথমে সব প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট স্ক্যান করে প্রতিটি ফাইল ২ মেগাবাইটের (2MB) নিচে রেখে PDF ফরম্যাটে সেভ করবেন।
- এরপর NU Student Portal-এ প্রবেশ করে ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করবেন।
- মেনু থেকে ‘Academic Service’ অপশনে গিয়ে Registration Card (Correction) সার্ভিসটি সিলেক্ট করবেন।
- তারপর সেখানে Partial name correction (আক্ষরিক নাম সংশোধন) ও Full name correction (পূর্ণ নাম সংশোধন) অপশন দেখানো হবে।
- সেখান থেকে আপনার আবেদনের ধরন অনুযায়ী ক্লিক করলে বাকি ফরম শো করবে। বাকি ফরমে সঠিক তথ্য বসিয়ে লাল (⁕) মার্ক করা ঘরগুলো সঠিকভাবে পূরণ করবেন।
- তারপর ফাইল আপলোড অপশনে গিয়ে সব স্ক্যান করা ডকুমেন্ট একসাথে মার্জ করা একটি PDF (2MB এর নিচে) ফাইল ‘Choose File’ বাটনে ক্লিক করে আপলোড করবেন (চাইলে আলাদা আলাদা ফাইলও আপলোড করতে পারেন)।
- তারপর ‘Preview’ বাটনে ক্লিক করে সব তথ্য যাচাই করে নেবেন এবং ‘Submit’ বাটনে ক্লিক করে আবেদনটি জমা দেবেন।
আবেদন সফলভাবে সাবমিট করার পর আপনাকে পরবর্তী ধাপে নির্ধারিত ফি পরিশোধ করতে হবে। অবশ্যই আবেদন সাবমিট করার পূর্বে নামের বানানগুলো সঠিকভাবে বসানো হয়েছে কি না যাচাই করে সাবমিট করবেন।
NU Registration Correction Application Fee কত কীভাবে জমা দিতে হয়
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নাম সংশোধনের জন্য প্রতিটা আবেদনে নির্ধারিত ফি জমা দিতে হয়। তারই প্রেক্ষিতে NU Registration Card Correction Fee হলো ৭০০/- টাকা। অনলাইনে ফি জমা দেওয়ার পদ্ধতি নিচে দেওয়া হলো:
- ফরম পূরণের শেষ ধাপে পেমেন্ট করার জন্য আবেদনের পাশে ‘Payslip or Payment’ অপশন দেখতে পাবেন।
- সেই অপশনে ক্লিক করলে দুটি মাধ্যম দেখাবে: ‘Download Payslip’ এবং ‘Online Payment’।
- মোবাইল ব্যাংকিং (বিকাশ, রকেট, নগদ) বা সোনালী সেবার মাধ্যমে পেমেন্ট করতে ‘Online Payment’ সিলেক্ট করে পরবর্তী ধাপগুলো অনুসরণ করবেন।
- পেমেন্ট সফল হওয়ার কিছুক্ষণ পর আবেদনের পাশে ‘Money Receipt’ অপশন পাবেন; এটি ডাউনলোড করে প্রিন্ট করে রাখবেন।
- বিশেষ দ্রষ্টব্য: সরকারি ছুটির দিনে এবং রাত ৮টা থেকে সকাল ৮টার মধ্যে পেমেন্ট করলে সার্ভারে আপডেট হতে কিছুটা সময় লাগতে পারে।
মানি রিসিটটি সুরক্ষিত রাখবেন, কারণ NU Registration Card Corrected Copy সংগ্রহের সময় এই মানি রিসিট জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক।
পুরাতন ব্যাচ বা অফলাইনে রেজিস্ট্রেশন কার্ড সংশোধনের আবেদন করার পদ্ধতি
যাদের পাসের সাল অনেক পুরোনো এবং যাদের রেজিস্ট্রেশন কার্ড হাতে লেখা তারা অফলাইনে Manual Registration Card Correction Application করবেন। অফলাইন আবেদনের ক্ষেত্রে যা করবেন:
- ম্যানুয়ালভাবে বা হাতে লেখা পুরাতন রেজিস্ট্রেশন কার্ড সংশোধন করার জন্য অবশ্যই আপনার ভুল রেজিস্ট্রেশন কার্ডের মূল কপি থাকতে হবে। কারণ নাম সংশোধনের অনুমোদন আপনার এই ভুল রেজিস্ট্রেশন কার্ডেই দেওয়া হবে। আপনাকে নতুন করে কোনো সংশোধিত কপি দেওয়া হবে উল্লেখযোগ্য নয়।
- তারপর মূল রেজিস্ট্রেশন কার্ডের সাথে উপরোল্লিখিত সকল ডকুমেন্ট যুক্ত করে একসাথে পিন-আপ করে নেবেন।
- সেই ডকুমেন্ট নিয়ে সরাসরি গাজীপুর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের একাডেমিক ভবনের ৫ তলায় ডিন দপ্তরে জমা দেবেন।
- সেখানে নথিপত্র যাচাই করে অনুমোদন দিলে আবেদনপত্রটি নিয়ে নিচতলার কাউন্টারে যাবেন।
- কাউন্টার থেকে ব্যাংক চালানের ফরম নিয়ে সোনালী ব্যাংক শাখায় নির্ধারিত ৭০০/- টাকা ফি জমা দিয়ে পরিশোধিত রিসিট নেবেন।
- চালানের ‘Student Part’ নিজের কাছে রেখে বাকি অংশ আবেদনের সাথে পিন-আপ করে পুনরায় ৫ তলায় ডিন দপ্তরে জমা দিয়ে আসবেন.
জমা দেওয়ার সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা যে সম্ভাব্য ডেলিভারি তারিখ জানাবেন, তা নোট করে রাখবেন। তারিখ অনুযায়ী সংশোধন হলে গাজীপুর গিয়ে সংশোধিত কপি আনতে পারবেন।
NU রেজিস্ট্রেশন কার্ড হারিয়ে গেলে কীভাবে সংশোধন করতে হয়
যদি আপনার রেজিস্ট্রেশন কার্ড হারিয়ে যায় কিন্তু সেগুলোর স্ক্যান বা ফটোকপি থাকে তাহলে অনলাইনে সংশোধনের আবেদন করতে পারবেন।
- অনলাইনে আবেদনের ক্ষেত্রে শুধু ফটোকপি থাকলেও সংশোধনের আবেদন করা যাবে।
- কিন্তু সংশোধন হওয়ার পর সংশোধিত কপি উত্তোলন করতে আপনার ভুল নামযুক্ত রেজিস্ট্রেশন কার্ডের মূল কপি জমা দিয়ে ভুলগুলো তুলতে হবে।
- সে ক্ষেত্রে আপনাকে প্রথমে ভুল নামযুক্ত কপিগুলো (দ্বি-নকল/Duplicate) তুলতে হবে। হারানো ডকুমেন্ট উত্তোলনের নিয়মাবলি
- যদি পুরাতন সেশন মানে হাতে লেখা রেজিস্ট্রেশন কার্ড হয় তাহলে আবেদন করার আগেই হারানো রেজিস্ট্রেশন কার্ড তুলতে হবে।
আপনার যদি রেজিস্ট্রেশন কার্ড হারিয়ে যায় এবং হারানো কপি উত্তোলন করতে অসুবিধা হয়, কীভাবে করবেন, কী কী লাগবে, দ্রুত পাওয়ার উপায় জানতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রেশন কার্ড সংশোধন হতে কত দিন লাগে
NU Registration Card Correction হতে কতদিন লাগে—এর একক কোনো সময় সবার জন্য একইভাবে বলা কঠিন। আক্ষরিক বানান সংশোধন, বড় ধরনের নাম পরিবর্তন, অতিরিক্ত কাগজপত্রের প্রয়োজন এবং Board Meeting-এর মতো বিষয় থাকলে সময়ের পার্থক্য হতে পারে।
- ছোট ধরনের আক্ষরিক সংশোধনের আবেদন তুলনামূলকভাবে সহজভাবে যাচাই হয়ে যেতে পারে, তবে আবেদন অনুমোদনের নির্দিষ্ট সময় সবার ক্ষেত্রে একই হবে এমন নিশ্চয়তা থাকে না।
- নামের সংযোজন, বিয়োজন বা পূর্ণ নাম সংশোধনের মতো বিষয়ে অতিরিক্ত যাচাই বা Board Meeting প্রয়োজন হলে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় বেশি সময় লাগতে পারে।
- আবেদন অসম্পূর্ণ হলে, ডকুমেন্ট পরিষ্কার না হলে, তথ্যের অমিল থাকলে বা অতিরিক্ত নথি চাওয়া হলে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার চেয়ে আরও সময় প্রয়োজন হতে পারে।
- সাধারণত আক্ষরিক ভুল থাকলে সংশোধন হতে ২০-৩০ দিন লাগে, আর বড় ভুল থাকলে বা পূর্ণ নাম সংশোধন হলে বোর্ড মিটিং হওয়ার কারণে ১-২ মাসও লাগতে পারে।
প্রতি মাসে একবার বোর্ড মিটিং হয়ে থাকে, কখনো কখনো নিয়মিত হয় না। একটি মিটিং-এ যদি আপনার আবেদন উপস্থাপন করা না হয় তাহলে পরবর্তী মিটিং পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। দ্রুত প্রয়োজন হলে যোগাযোগ করুন।
NU Registration card Correction Application Send Back করলে কী করবেন
আবেদনে তথ্য ভুল থাকলে বা ফাইল অস্পষ্ট হলে, বা প্রয়োজনীয় ফাইল আপলোড না করলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আবেদনটি ফেরত পাঠায়, যাকে Send Back বলা হয়। Send Back হলে নিচের পদক্ষেপ নেবেন:
- NU Student Portal-এ লগইন করলে আবেদনের পাশে ‘Send Back’ অপশনটি সবুজ রঙে দেখতে পাবেন।
- ডানপাশে ইংরেজিতে সেন্ড ব্যাক করার নির্দিষ্ট কারণ বা রিকোয়ারমেন্ট উল্লেখ থাকবে।
- উল্লিখিত ভুলটি সংশোধন করে বা সঠিক ফাইল সংযুক্ত করে ‘Re-Apply’ বাটনে ক্লিক করে পুনরায় সাবমিট করবেন। Re-Apply করার জন্য আপনাকে নতুন করে কোনো ফি জমা দিতে হবে না।
ভুলগুলো সংশোধন করে পুনরায় সাবমিট করলেই আবেদনটি আবার প্রসেসিংয়ে চলে যাবে। আমাদের সহায়তা পেতে বা আরও বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন।
রেজিস্ট্রেশন কার্ড সংশোধনের অফলাইনের আবেদন কি Send Back করে
ম্যানুয়াল বা অফলাইন আবেদনের ক্ষেত্রেও সেন্ড ব্যাক হতে পারে, যাকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ‘আপত্তি’ বলে থাকে। অফলাইন আবেদনের ক্ষেত্রে করণীয়:
- ম্যানুয়াল আবেদন জমা দেওয়ার সময়েই প্রাথমিক যাচাই করা হয়, তাই আপত্তি আসার হার খুবই কম।
- তবে অভ্যন্তরীণ ভেরিফিকেশনে কোনো কাগজপত্রে ত্রুটি থাকলে সনদে আপত্তি দেওয়া হয়।
- অফলাইন আবেদনের স্ট্যাটাস অনলাইনে দেখার সুযোগ নেই, তাই সম্ভাব্য তারিখে মানি রিসিট নিয়ে সরাসরি গাজীপুর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে যোগাযোগ করবেন।
- রেজিস্ট্রেশন কার্ড সংশোধন না হলে ডিন দপ্তরে যোগাযোগ করে আবেদনের বর্তমান অবস্থা জানবেন এবং নির্দেশনামতো সংশোধন করবেন।
আপনার আবেদনে কোনো ঝামেলা হয়েছে কি না বা সেন্ড ব্যাক করেছে কি না ও যেকোনো ধরনের দাপ্তরিক জটিলতায় দিকনির্দেশনা পেতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।
সংশোধন হওয়ার কত দিন পর সংশোধিত রেজিস্ট্রেশন কার্ড পাওয়া যায়
আবেদনটি অনুমোদিত হওয়া এবং সংশোধিত রেজিস্ট্রেশন কার্ড হাতে পাওয়া সবসময় একই সময়ের ঘটনা নয়। প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেকর্ডে সংশোধন সম্পন্ন হতে থাকে, এরপর সংশোধিত কার্ড তৈরি, প্রকাশ বা কলেজের মাধ্যমে সরবরাহের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
- আবেদন অনুমোদনের পর সংশোধিত তথ্য কেন্দ্রীয় সিস্টেমে আপডেট হতে কিছুটা সময় লাগতে পারে, বিশেষ করে যখন আবেদনটি ম্যানুয়াল যাচাইয়ের মধ্য দিয়ে গেছে।
- অনলাইনে আবেদন করলে আপনার আবেদন এপ্রুভড হওয়ার কিছু দিন পর (Printed) অপশনটি সবুজ হলে বুঝতে পারবেন রেজিস্ট্রেশন কার্ড রেডি হয়ে গেছে।
- ম্যানুয়ালভাবে আবেদন করলে সেটা অনলাইনে দেখার সুযোগ নেই বিধায় নির্ধারিত সময়ে গাজীপুর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে যোগাযোগ করে দেখতে হবে।
আপনার সংশোধনের বর্তমান স্ট্যাটাস অনুযায়ী কার্ড কখন ও কোথা থেকে পাওয়া যাবে বা সংশোধন হয়েছে কি না তা নিয়ে প্রশ্ন থাকলে যোগাযোগ করুন।
সংশোধিত রেজিস্ট্রেশন কার্ড কোথা থেকে বা কীভাবে সংগ্রহ করতে হয়
সংশোধিত রেজিস্ট্রেশন কার্ড কোথা থেকে পাওয়া যাবে, সেটি নির্ভর করে আপনার আবেদনের ধরন, আপনার কোর্স সেশন ইত্যাদি বিষয়ের ওপর। মূলত রেজিস্ট্রেশন কার্ড সংশোধন হওয়ার পর সেটির সংশোধিত কপি ৩ ভাবে পাওয়া যায়:
- যদি আপনার রেজিস্ট্রেশন কার্ড নম্বর ১০-১১ সংখ্যার হয়ে থাকে তাহলে সেটি সরাসরি অনলাইনে প্রিন্ট দেখালে আপনার কলেজে যোগাযোগ করলে সেখান থেকে পাওয়া যাবে।
- যদি আপনার রেজিস্ট্রেশন কার্ড নম্বর ১০ সংখ্যার কম হয়ে থাকে তাহলে পূর্বের ভুল রেজিস্ট্রেশন কার্ডের কপি নিয়ে গাজীপুর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে জমা দিয়ে সংশোধিত রেজিস্ট্রেশন কার্ডের কপি সংগ্রহ করতে হবে।
- পুরাতন সেশন মানে যাদের রেজিস্ট্রেশন কার্ড হাতে লেখা তাদের ক্ষেত্রে যেহেতু আবেদনের সময় ভুল রেজিস্ট্রেশন কার্ডের মূল কপি জমা দিয়ে দিতে হবে (মানে সেই ভুল কপিটিই সংশোধন করে আপনাকে আবার ফেরত দেওয়া হবে), সেটি গাজীপুর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই সংগ্রহ করতে হবে।
আপনার রেজিস্ট্রেশন কার্ড সংশোধনের আবেদন অনুমোদন হয়েছে কিন্তু প্রিন্ট হচ্ছে না, এবং কলেজে সংশোধিত রেজিস্ট্রেশন কার্ড যাচ্ছে না এমন সমস্যা থাকলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন, আমরা সহায়তা করার চেষ্টা করব।
নিজে না যেতে পারলে কীভাবে প্রতিনিধি দিয়ে সনদ তুলবেন
শিক্ষার্থী বিদেশে অবস্থান করলে বা চাকরির কারণে বা অসুস্থতার কারণে উপস্থিত হতে না পারলে Authorized Representative-এর মাধ্যমে ডকুমেন্টগুলো তোলা যায়। তবে এর জন্য কিছু শর্ত প্রযোজ্য:
- প্রতিনিধি হিসেবে কেবল শিক্ষার্থীর পিতা, মাতা, ভাই, বোন, স্বামী বা স্ত্রী উপস্থিত হতে পারবেন; অন্য কোনো আত্মীয় গ্রহণযোগ্য নয়।
- প্রতিনিধিকে অবশ্যই একটি স্বাক্ষরযুক্ত Authorization Letter (ক্ষমতা হস্তান্তরের দরখাস্ত) সাথে আনতে হবে।
- মূল Money Receipt, পুরাতন ভুল রেজিস্ট্রেশন কার্ডের মূল কপি, শিক্ষার্থীর NID-এর ফটোকপি এবং প্রতিনিধির মূল NID ও ফটোকপি জমা দিতে হবে। কাউন্টারে প্রাথমিক ভেরিফিকেশন সফল হলে প্রতিনিধিকে সনদ প্রদান করা হবে।
গাজীপুর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কাউন্টার থেকে প্রতিনিধির মাধ্যমে ডকুমেন্ট তুলতে অসুবিধা হলে কীভাবে উত্তোলন করা যায় হেল্প পেতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।
সংশোধিত রেজিস্ট্রেশন কার্ড সংগ্রহ করার পর কী করা উচিত
সংশোধিত কার্ড হাতে পাওয়ার পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সম্পূর্ণ তথ্য যাচাই করা। কারণ একটি নামের ভুল সংশোধন হয়েছে মানেই অন্য সব তথ্যও সঠিক হয়েছে—এমনটি নিশ্চিতভাবে ধরে নেওয়া যায় না।
- নতুন কার্ডে নিজের নাম, পিতা-মাতার নাম, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, বিষয়, কোর্স ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পুরোটা মিলিয়ে দেখা ভালো।
- সংশোধিত তথ্য SSC ও HSC সনদ, NID বা জন্মনিবন্ধনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়েছে কি না দেখা সুবিধাজনক, যাতে ভবিষ্যতে অন্য নথির সঙ্গে নতুন অমিল তৈরি না হয়।
- এরপর পরবর্তী ধাপে সংশোধিত রেজিস্ট্রেশন কার্ড ব্যবহার করে প্রবেশপত্র সংশোধনের প্রক্রিয়া শুরু করা যাবে। এডমিট কার্ড সংশোধনের নিয়ম
গুরুত্বপূর্ণ: সংশোধিত রেজিস্ট্রেশন কার্ডের কপিতে আপনার কলেজের প্রিন্সিপালের স্বাক্ষর না থাকলে সেটি করিয়ে নিতে হবে অন্যথায় এই রেজিস্ট্রেশন কার্ড কোথাও গ্রহণযোগ্য হবে না।
রেজিস্ট্রেশন কার্ড সংশোধন সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নউত্তর
রেজিস্ট্রেশন কার্ডে শুধু একটি অক্ষরের বানান ভুল হলে কি Board Meeting লাগে?
নামের একটি শব্দ যোগ বা বাদ দিলে কী হবে?
SSC বা HSC সনদে ভুল থাকলে রেজিস্ট্রেশন কার্ড সংশোধন করা যাবে কি?
আবেদন Send Back হলে কি আবেদন বাতিল হয়ে যায়?
আমি দূরে থাকি কলেজের অধ্যক্ষের সুপারিশ নেওয়া কঠিন, কী করব?
কেন আমাদের সহায়তা নিবেন
নির্ভুল ও দ্রুত সমাধান
আমরা প্রতিটি কাজ নির্ভুলভাবে এবং দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আপনার মূল্যবান সময়ের গুরুত্ব বুঝে আমরা এমনভাবে কাজ করি, যাতে আপনি অপ্রয়োজনীয় দেরি বা ঝামেলা ছাড়াই সঠিক সমাধান পেতে পারেন।
অগ্রিম টাকা ছাড়াই সেবা
অনলাইনে অনেকেই অগ্রিম টাকা দিয়ে প্রতারিত হন, তবে আমাদের সেবা নিতে কোনো অগ্রিম পেমেন্ট করতে হয় না। কাজ সম্পন্ন হওয়ার পরই আপনি বিল পরিশোধ করবেন, ফলে আপনি সম্পূর্ণ ঝুঁকিমুক্তভাবে আমাদের সার্ভিস নিতে পারেন।
অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা
আমাদের নিজস্ব টিম রয়েছে যারা এই সেক্টরে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে, ফলে আমরা বিভিন্ন জটিল সমস্যার বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি। এই অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার কারণে আমরা দ্রুত এবং কার্যকরভাবে আপনার সমস্যার সমাধান দিতে সক্ষম।
বিশ্বাসযোগ্য ও স্বচ্ছতা
যেহেতু অগ্রিম কোনো টাকা দিতে হয় না, তাই প্রতারিত হওয়ার কোনো ঝুঁকি থাকে স্টার্ন। আমরা প্রতিটি কাজ সততা ও স্বচ্ছতার সাথে সম্পন্ন করি। কাজের প্রতিটি ধাপে আপনাকে আপডেট দেওয়া হবে, আপনি নিজেই মোবাইল দিয়ে যাচাই করতে পারবেন।